মা শুধু আমার - অধ্যায় ৬
মা- পাগল ছেলে বয়স হচ্ছেনা বিয়ে তো করতে হবে। কেমন মেয়ে চাস তুই আমাকে বল আমি সেইভাবে দেখবো।
আমি- তোমার ছেলের কেমন দরকার সে তুমি ভালো জানো, তোমার যেমন পছন্ধ তেমন নিয়ে আসবে। তুমি মানিয়ে চলতে পারলে আমার অসবিধা হবেনা। তবে এখুনি না মা বাবাকে তুমি বলবে পরে অনন্ত দুই বছর পর। এখানে কিছু একটা করি তারপর আগে না।
মা- তাই বললে হয় রিম্পার বিয়ে দিয়েছি ৩ বছর হয়ে গেল তুই তো ওর বড়। যদিও মেয়েরা বলিস্ট বেশী তাই ওর বিয়ে দিতে হয়েছে দেখিস না কেমন আমার মতন হয়ে গেছে দেখে মনে হয় তোর বড়।
আমি- হুম সত্যি রিম্পা অনেক বেরে গেছে মা যাক গে তবুও ভালো আছে। ওর বরের বয়স কেমন গো মা।
মা- সে আর বলতে এই ৩০ ষে বিয়ে করেছে ৪ বছর হল মানে ৩৪ বছর। আর রিম্পার তো ২৫ হল কিছুদিন আগে। তবে এইটুকু ব্যবধান লাগে বুঝলি। তোর জন্য ২০/২৪ এঁর মধ্যে আনবো তবে ঠিক হবে।
আমি- না একদম বাচ্চা মেয়ে দেখবেনা ওরা কি বোঝে বয়স না হলে হয় নাকি ২৫/২৬ দেখবে। সমান হলেও অসবিধা নেই।
বোন- এসে বাঃ মায়ের কোলে ম্থা দিয়ে শুয়ে আছেন দেখছি ভালোই তো মায়ের আদর খাচ্ছ ।
আমি- মা দেখলে কি হিংসে করে আমার বোন। নিজে তো একদম কিছু করবে না উল্টো দোষ দিচ্ছে।
মা- এটা ঠিক রিম্পা তুই দাদাকে খাটাতি তোর কাজ করে দিত কিন্তু তুই কোনদিন দাদার কথা ভাবিসনি এবার একটু ভাব দাদার কথা একটা ভালো মেয়ে দ্যাখ দাদার জন্য বিয়ে দিতে হবেনা।
বোন- হ্যারে দাদা কেমন মেয়ে চাই তোর মায়ের সামনে না বলতে পারলে আমাকে পরে বলিস। পরির মতন না নাদুসনুদুস ভোলাভালা কেমন মেয়ে লাগবে। আমি শুনেছি সব ছেলেরা মায়ের মতন মেয়ে চায় তুইও কি তাই।
মা- এই চুপকর তো ছেলেতা একটু আমার কোলে মাথা দিয়ে শুয়েছে তোর সহ্য হচ্ছেনা তাই না তুই যা তো আমাদের একা থাকতে দে।
বোন- বেলা তো অনেক হল ছেলেকে কি সেই সকালের রান্না খাওয়াবে নাকি না আবার রান্না করবে।
মা- না না রান্না করব তোর বাবা আসুক আসলেই রান্না করব অনেক কাজ আছে আমার তুই তো কিছু করবি না এসে শুধু খাবি আর ঘুমাবি। একদম ফুলে উঠেছে আরামে খেতে খেতে। আজকে তুই রান্না করবি দাদার জন্য।
বোন- না বাপের বাড়ি আসে আরাম করার জন্য দাদা আমার ওখানে গেলে ভালো করে রান্না করে খাওয়াবো এখন তুমি করবে।
মা- সে তো বুঝলাম দাদাকে কবে নিবি তোর বাড়ি।
বোন- সে আজকে গেলেই ভালো হয় ও মা নানা ওর মনেহয় পরশু কোথায় যেন যেতে হবে দুই দিনের জন্য তখন দাদা গিয়ে আমার বাড়ি দুইদিন থাকবে একা থাকবো নাকি আমি দাদা গেলে আমার ওখানে থাকবে।
মা -তবে আর কি দাদাকে নিয়ে যাস ওই দুইদিন দাদাকে ভালো মন্ধ খাওয়াবি কেমন।
বোন- সে তো বুঝলাম মা তোমার জামাই তো গরীব কাঁচা ঘর আমাদের, তাছাড়া তোমার মতন তো না ছেলে পাকা ঘর করে দিয়েছে সব কিছু তোমার আছে মা আমার কিন্তু নেই। তোমার ছেলে যাবে কি আমার বাড়ি।
মা- একদম পাকামো করবি না তোর বর যে স্কুটি চালায় কে কিনে দিয়েছে শুনি তোর দাদা দিয়েছে তাই না আমরা কিছু দিতে পেরেছি সব তোর দাদা দিয়েছে আর এখন ন্যাকামো করছ, আমার ছেলের ভালো মতন জত্ন করবি কোন কষ্ট যেন না পায় মনে থাকে যেন।
বোন- হ্যা হ্যা এখন তোমার ছেলে আমার তো কেউ না আমার বড় দাদা কিরে দাদা যাবি তো বোনের বাড়ি। বিয়ে তে তো আসিসনি এখন যাবি তো। বলে আমার গাল টিপে দিল আর বলল মায়ের নাক দিয়ে দুধ পড়া ছেলে।
আমি- তবেরে বলে বোনের হাত ধরে একটান দিতে আমার উপর এসে পড়ল, এমনভাবে পড়েছে যে দুধ দুটো একদম আমার মুখের উপর।
মা- এই কি করছিস উরি বাবা আমার পা ভেঙ্গে যাবে যে উঃ না ওঠ তোরা দুজনে ওঠ তো। উঃ কি লাগল দাম্রা দাম্রাক দুটো একসাথে আমার কোলের উপর পড়ল।
বোন- আমাকে ধরে ওঠ দাদা ওঠ মায়ের লাগছে বলে আমাকেও টেনে তুলল।
আমি- উঠে বসে বললাম মা ভুল হয়ে গেছে লেগেছে তোমার ও যে এইভাবে পরবে আমি বুঝতে পারিনি মা। দেখি এস আমি মেসেজ করে দেই কোথায় লেগেছে মা।
মা- দেখি সর তো উঠে নেই বলে মা খাট থেকে নামল না না ঠিক আছে পাজির দল আমার বলে না আমি যাই রান্নার ব্যাবস্থা করি এই দিদিভাই কি ঘুমানো নাকি।
বোন- হ্যা ঘুমিয়েছে উঠতে দেরী আছে। তুমি গেলে যাও আমি দাদার সাথে অনেকদিনের কথা বাকি আছে বলে নেই।
মা- আচ্ছা তবে আমার ছেলের কাছে বায়না করবি না কিন্তু। বলে মা সোজা রওয়ানা দিল রান্না ঘরের দিকে।
বোন- তোমার ছেলে আমার দাদা না আমার দাদা আমাকে দিলে তুমি কি করবে শুনি বল দাদা। চল দাদা ওইঘরে মেয়ে আবার জেগে না যায় বলে আমার হাত ধরে তুলে নিয়ে ওর শোয়ার ঘরে গেলাম। বোন না দাদা চল তোর ঘরে যাই এখানে কথা বললে মেয়ে জেগে যাবে।
আমি- আচ্ছা চল তাহলে বলে হাটা শুরু করলাম।