মায়ের সাথে মাছ ধরা। - অধ্যায় ৪৯
আমি- না মানে দেখেছিস মায়ের এখনকার চলাফেরা আগের থেকে আধুনিক, সেদিন মেলায় গেলে মা কতসুন্দর সেজেছিল, আমি বলায়।
দিদি- তা ঠিক মা এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে। তারমানে তুই আমাকে যা বলছিস সে কি ঠিক তুই বল। ভাই পাগলামো করিস না সব শেষ হয়ে যাবে।
যদি এর সামান্য ফাঁস হয় কোথায় থাকব আমরা কি হবে আমাদের ভবিষ্যৎ। সব ভেবে তারপর ডিসিশন নিতে হয়। একটু এদিক ওদিক হলে সুইসাড ছাড়া আমাদের আর কোন রাস্তা থাকবেনা। বাড়িতে বাবা মা এদিকে তোর দাদা আমার ছেলের কথা ভাবতে হবে।
আমি- বাবা তো অকেজ আর মাকে নিয়ে ভাবতে হবেনা ম্যানেজ হয়ে যাবে, বাকী রইল তোর বূড়ো স্বামী, সেটাও অকেজ আমি যে টুকু বুঝেছি, তোর কথা ভাবছি আর তুই উল্টো বুঝিস।
দিদি- ভাই তবুও আমি যা আছি ভালো আছি, আমাকে এ বিষয়ে আর বলবি না। এ কোনদিন হবে না।
আমি- তবে আর কি এত কথা বলে লাভ কি এবার বন্ধ করি, তুই ঘুমা আমিও ঘুমাই। আর কি করব এবার হাত দিয়ে খিঁচে ফেলে দিয়ে শরীর ঠান্ডা করে ঘুমিয়ে পরি। তবে মনে মনে তোকে ভেবেই ফেলব।
দিদি- ইস কি বলে তোর কি একটু লজ্জা সরম নেই নিজের দিদিকে নিয়ে এসব ভাবিস ছিঃ ভাই ছিঃ।
আমি- ধুর বাল রাখতো। বাই বাই আর না তোর সাথে আর কথা বলব না আর যাবোও না, অনেক হয়েছে রেখে দিলাম। বলে মোবাইল রেখে দিলাম সুইচ অফ করে।
দরজা খুলে বের হলাম বাবা মায়ের ঘরের দিকে গেলাম দরজায় চোখ রাখতে দেখি বাবা মা খুব শান্তিতে ঘুমাচ্ছে। খুব ইচ্ছে করছিল কিন্তু পাড়লাম না বাবার কথা গুলে মনে পরে গেল তাই আবার ফিরে এলাম।
বাড়ির সামনে দাড়িয়ে হিসু করে আবার নিজের ঘরে ফিরে এলাম। সব কেচিয়ে গেল কিছুই হল না। রাগে দুঃখে কিছু না করেই ঘুমাতে গেলাম।
সকালে বাবার ডাকে ঘুম ভাঙল।
বাবা- ওঠ বেলা অনেক হয়ে গেছে। তোর মা চা করেছে ওঠ।
আমি- উঠে জল খেতে বাবা চা নিয়ে এল। দুজনে বসে চা খেলাম। আর বললাম মা কি করছে।
বাবা- টিফিন করছে, আটা বাজে আয় বাইরে আয়।
আমি- বাইরে যেতে
মা- বলল এত বেলা পর্যন্ত ঘুমালে হবে, যা ব্রাশ করে আয় টিফিন হয়ে গেছে সবাই মিলে খাবো। বাবাকে বলল একটু ওই কল থেকে জল আনবে।
বাবা- আচ্ছা নিয়ে আসছি বলে জগ নিয়ে বাবা গেল।
মা- রাতে কি হয়েছিল।
আমি- তিনবার গেছি দেখলাম বাবা আর তুমি করছ তো আমি কি করব ফিরে এসে ঘুমিয়ে পড়েছি।
মা- তোর বাবাকে কিছু খাইয়েছিলি নাকি রাতে তো পাগল হয়ে গেছিল।
আমি- তবে ভালই হয়েছে তাই না।
মা- হুম।
আমি- যাক ভালই হল
মা- রাগ করেছিস তুই।
আমি- না না কেন। আমার তো সময় আছে সুযোগ পাবো।
এর মধ্যে বাবা এল আর বলল দাও খাই। সবাই মিলে খেয়ে নিলাম। তারপর ঘরে এসে মোবাইল অন করতে অনেক গুলো মেসেজ ঢুকল, সব দিদির। এর মধ্যে জামাইবাবুর ফোন কি রে শালা মোবাইল বন্দ করে রেখেছিলি নাকি।
আমি- হ্যা দাদা চার্জে দিয়েছিলাম। বলেন কেমন আছেন, দিদি কি করছে।
জামাইবাবু- আজ আমার নাইট ডিউটি থাকতে পারবে তো।
আমি- দিদি কি বলছে থাকতে হবে।
জামাইবাবু- হ্যা তোমার দিদি বলল তুমি থাকলে ভালো হয়, একা একা ওর ভয় লাগে।
আমি- কখন আসতে হবে।
জামাইবাবু- আমি ৪ টায় বেড়িয়ে যাবো, তার আগে এস। না হয় দুপুরে আস সবাই মিলে খাবো। এই নাও দিদির সাথে কথা বল।
দিদি- ভাই বল কখন আসবি।
পাশ থেকে জামাইবাবু বলল আরে দুপুরেই আসতে বল।
আমি- ঠিক আছে দাদা যখন বলছে দুপুরের পরেই আসব।
দিদি- না না তোর দাদা বাজার করেছে তুই আগেই আসবি।
আমি-আচ্ছা আসবো।
দিদি- আমি রান্না করছি এখন রাখি তুই আসলে তখন কথা বলব।
আমি- ফোন রাখতেই
মা- কিরে কার সাথে কথা বলছিস।
আমি- দিদি আজকে দিদির বাড়ি থাকতে হবে জামাইবাবুর নাইট ডিউটি আছে তাই বলছিল।
মা- আমাদের সাথে যাবি মাছ ধরতে।