নতুন জীবন - অধ্যায় ১৪
হাত দশেক দূরের মানুষটির দিকে তাকিয়ে আছি, ভয় কেমন জানি করছি। কিন্তু ভিতরের পশুটার মনে মুচকি হাসি। আম্মুর পেছনের দিকটা দেখা যাচ্ছে।
এখন আমি অন্য মানুষ হয়ে গেছি। আজকাল একটু সাহসী হয়ে উঠছি ' আমি নয় আম্মুর রুপ আর ভিতরের পশুটা সাহস জুগাচ্ছে। এখন আর ভয় পাচ্ছিনা । একেবারে মত্ত হয়ে একচোখ বন্ধ করে অন্য চোখে আমার রুমের ভিতরে তাকিয়ে আছি। আম্মু খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করছে,
বুকে ওড়না নাই, হয়তো কাজের সুবিধার্থে খুলে রাখছে। আর বদ্ধ ঘরে পর্দার প্রয়োজন নেই। আমি ও এ সময় রুমে যাবো না এব্যাপারে একেবারে নিশ্চিন্ত '
আমি আর একটু এগিয়ে একেবারে দরজার কাছে এসে, তাজ্জব হয়ে গেলাম!
এবার আম্মু আমার দিকে ফিরে রুমের উপরের দিকটা পরিস্কার করছে। তাতে করে চোখের সামনে ভেসে উঠল আম্মুর বুক. ভালো ছেলের কাছে বুক।
কিন্তু এখন যে আমি ভালো নই। আমার ভিতরের পশুটা আমাকে নিয়ন্ত্রন করছে.
তাই পশুর দৃষ্টিকোন থেকে বলতে হচ্ছে। চোখের সামনে ভাসছে জন্মদাত্রীর ৩৬ সাইজের ঠাসা স্তন যার অন্য নাম দুধ, মাই।
আম্মু এদিক ওদিক নড়ার সময় দুধ দুটো হালকা নড়ছে। এই প্রথম কোন মেয়ে মানুষের দুধ দেখছি তাও এত কাছ থেকে আবার সেটা নিজের আম্মুর। মাস ছয়েক আগে কিংবা তার ও আগে হলে হয়তো প্রথমবার দেখার পর দ্বিতীয়বার ভুল করেও আর নজর দিতাম না।
এটা পাপ, জঘন্যতম পাপ এই ভেবে। এর জন্য নিজের প্রতি ঘৃনা জন্মাত।
কিন্তু আজ যে আমার ভিতরে পাপ পূন্যের চেয়ে বেশি জন্ম নিয়েছে কামনা। এ যে কামনার বিজয় পরাজিত বিবেক।