সুখপিয়াসী নারী - অধ্যায় ৫

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-35989-post-3133485.html#pid3133485

Posted on Sat Apr 03 2021 by Opp69 (Profile)

Tags: None
902 words / 4 min read

Parent
পর্ব - ৫ সকালে ঘুম থেকে উঠে রীনা অবজ্ঞাভরা হাসি হেসেছিল। নীচে হাত পা পিছমোড়া করে বাঁধা অশোক সেরকম ই পড়ে আছে ।। ফ্লোর ভিজে রয়েছে গড়াচ্ছে অশোকের পেচ্ছাপ। রীনা নেমে এলো খাট থেকে হাতে রিভলবার “জানোয়ার কোথাকার প্যান্টে মুতে পড়ে আছিস! পরিস্কার করবে কে? তোর বাবা?” অশোক এর চোখে জল চলে এলো আবার, মৃত বাপ মা কে খিস্তি খাওয়াচ্ছে এমন কুলাঙ্গার ছেলে সে। কাল অবদি তুমি তুমি করছিল রীনা, আজ সোজা তুই তে নেমে এসেছে। অশোক জানে ওর পতন অনিবার্য। কোথায় গিয়ে থামবে সে ও জানে না। রীনা অশোক কে দেখিয়ে পিস্তলে বুলেট ভরলো,কাল ফাঁকা পিস্তল নিয়ে ভয় দেখাচ্ছিল। গুলি ভরে অশোকের নাকে ঠোঁটে উষ্ণ আদর করল রিভলবার দিয়ে। মুখ থেকে বের করল প্যান্টি, তারপর অশোকের মুখে পিস্তল এর নল ঢুকিয়ে দিয়ে রীনা বলল ” এখন বাঁধন খুলে দিচ্ছি। মনে রাখবি সব সময় আমি তোর প্রভু আর তুই আমার পোষা কুকুর । তোর সব কিছুই তোর প্রভুর হিসেব মতো হবে। আমি উঠতে বললে উঠবি বসতে বললে বসবি। আমার সব আদেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলবি। মনে থাকবে কুত্তা?” পিস্তল মুখে ভরা অস্ফুটস্বরে অশোক হু বলে ঘাড় নাড়ল সম্মতিসূচক। অবজ্ঞাভরা কন্ঠে রীনা নতুন বর কে বলল “গুড বয় । প্রথমদিন ক্ষমা করলাম। ফ্লোর ধুয়ে মুছে পরিস্কার কর । আর আমার জন্য ব্রেকফাস্ট তৈরি কর । আমি বাথরুম থেকে ফ্রেস হয়ে আসি ততক্ষনে ব্রেকফাস্ট রেডি থাকে যেন ” । তারপর থেকে আজ অবদি তৈরিই থাকে ব্রেকফাস্ট। বরের হাতের ব্রেকফাস্ট ছাড়া চলে না রীনার । ধীরে ধীরে রীনা অশোক কে কুকুরের ও অধম বানিয়ে ছেড়েছে। অশোক এসবিআই এর বাটানগর ব্যাঞ্চের ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার । সোম থেকে শনি সকাল থেকে বিকাল ও ব্যাঙ্ক কর্মীদের ‘ স্যার ‘ থাকে। ডিউটি থেকে ফিরে বউ এর সেবা করতে করতে করতে তার সকাল হয়ে যায়। রবিবার রীনা বন্ধু দের সাথে সকালে বেরোয় ফেরে রাতে। কে জানে কোনো বন্ধুরুপী কারো সাথে শোয় ও হয়ত ওর বউ। দিন দিন অশোকের অধঃপতন হচ্ছে। দিনদিন রীনার অমানুষিক অত্যাচার যেন বেড়েই চলছিল। প্রথম যেদিন রীনার জুতো চেটে পরিস্কার করতে হয় অশোক আপত্তি করছিল। রীনার মারের চোটে অশোকের বাস্তব সামনে চলে আসে। বাস্তব এটা যে সে তার বৌয়ের পা চাঁটা গোলাম ছাড়া কিছু নয়। রীনার হুকুমের দাস। অবশেষে বউ এর জুতো চাটতে হয়। তারপর থেকে রোজ ই। একদিন এমন ও সময় আছে রীনার ইচ্ছা হয় অশোক কে পায়খানা খাওয়াবে। বাথরুমে নিয়ে যায় রীনা বর কে। কমোড থেকে উঠে রীনা মলদ্বারে লেগে থাকা গু অশোক কে চেটে খেতে বাধ্য করে। তারপর অশোকের মাথা চেপে ধরে ঢুকিয়ে কমোডের ভিতর । টয়লেটের চটি পরা পা দিয়ে অশোকের মাথা চেপে চেপে চুবিয়ে দিচ্ছিল কমোডের নোংরা জলে। তারপর ফ্ল্যাস চালিয়ে দিয়েছিল। অসহায় অশোক যখন মুক্তির রাস্তা খুজছিল তখন রীনা পেয়ে গিয়েছিল অশোক কে চিরবন্দি বানানোর উপায়। রোজ রোজ মেরে ধরে কিংবা বন্দুক তাক করে অশোক কে গোলামি করাতে ভাল লাগছিল না রীনার । মেরে ধরে হুকুম তামিল করাতে হাত পা ব্যথা হয়ে যায়। তাই অশোকের জন্য রীনা অনলাইনে আমদানি করল একটা অত্যাধুনিক চ্যাস্টিটি ডিভাইজ । একশো গ্রাম ওজনের এই কেজ টি অশোক কে রীনার পা চাটা কুত্তা বানাবে। একটা স্টেইনলেস স্টিলের পেনিস কেজ কিনে ছিল রীনা। সেটা অশোকের বাড়াতে পরিয়ে লক করে দিয়েছিল। পুরো বাড়াটা ঢেকে রেখেছিল চ্যাস্টিটি কেজটি, সামনের দিকে ছোট করে কাটা। যতক্ষণ ওটা লক করা থাকবে হাজার চেষ্টাতেও মাল ফেলা অসম্ভব অশোকের পক্ষে। অশোক এটা খুলে পেচ্ছাপ করতে পারে না। এই ছোট স্টিলের খাঁচার মধ্যে দিয়েই অশোক কে টয়লেট করতে হয়। আর একটা ডিভাইজ স্টেইনলেস স্টিলের বেড়ি…. ছোট্ট সাইজ কিন্তু তার যে কি ক্ষমতা অশোক হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারে। ডিভাইজ টা রীনা অশোকের বিচির উপর চামড়ায় পরিয়ে দেয় বলস গুলো নীচে আর উপরে বাড়ার চামড়া শুরু হচ্ছে এমন যায়গায়। তারপর বেড়ি টা লক করে দেয় দেয় রিমোট দিয়ে। খাঁচাবন্দি বাড়া আর বেড়ি বন্ধ বিচির দিকে আতঙ্কিত চোখে তাকায় অশোক। অদ্ভুত লাগে তার । সঙ্গে সঙ্গে মুখ বিকৃত করে এক ঝটকা তে ফ্লোরে আছড়ে পড়ে গোঙাতে থাকে অশোক, খিলখিল করে হেসে ওঠে তার নববধূ। হাতের রিমোটের বার্টনে আঙ্গুল ছুইয়েছে রীনা, বিচিতে দুশো কুড়ি ভোল্টের শক দিয়েছে ছোট্ট পনেরো গ্রাম গ্রামের বেড়ি টা। “টেস্টিং কিন্তু এখোনো শেষ হয়নি” রীনা টাচ কন্ট্রোল রিমোট টার সুইচ অফ করে জিন্সের পকেটে ঢুকিয়ে খটখট জুতোর আওয়াজ তুলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। মেঝেতে পড়ে রইল অশোক । শকিং ডিভাইজ টার গুনাগুন হাড়ে হাড়ে বুঝেছে অশোক। ডিভাইজ টায় জিপিএস ট্র্যাকার আছে। রীনা হাতের ব্যান্ডে হলোগ্রাম মোবাইলে “শুভ” কে বলতেই মোবাইল রানার “শুভ” প্লে স্টোর থেকে “Where is my chastity” app ডাউনলোড করে নিয়েছে। যেখানেই থাকুক অশোক সব সময় নজরের মধ্যেই থাকবে রীনার । অশোকের অবস্থান দেখাবে হলোগ্রাম ফোন। অশোক বাইরে বেরোলে সঙ্গে থাকবে আরো একটি ডিভাইস। আগেকার যুগের স্মাটফোনের মতো আকারের অটো কন্ট্রোল মেশিন। কানেকসান লস্ট করলে বাড়ি ফেরার পর রীনার হাতে জুটবে চরম কস্টদায়ক শাস্তি। অশোকের কারেও থাকবে একটা ডিভাইস কার থেকে তিনশো মিটার দুরে গেলে অশোক দারুন ইলেক্ট্রিক শক খাবে সরি অশোক বলা ভুল অশোকের বিচি। বিচিতে পরানো রিং সাতটা কিনেছে রীনা, বিভিন্ন কালারের এই যেমন আজ রবিবার অশোক পরে ডার্ক ব্লু কালারের । অশোকের হাতের ব্যান্ড হলোগ্রাম ফোনে ব্যাঙ্কের কাজ দরকারি কাজ থাকে কিন্তু ওল্ড যুগের স্মার্টফোন সবসময় অশোক কে ক্যারি করতে হয় না খুব অন্য ব্যাপার হয়ে গেলে রীনা তখন ওকে পারমিশন দেয় । যাইহোক ওই ওল্ড ফোনের গুনাগুন বল্লে এবার পাঠক গালাগালি ই না দিয়ে বসেন । যাইহোক অশোকের অবনতি হতে হতে এমন পর্যায় প্রতি রবিবার রীনার বা রীনার বন্ধুদের এটো করা বাঁচা মদ খেতে খেতে সুইসাইড করার কথা ভাবে। প্রতিবার ও পিছু হঠে আসে। প্রতিবার ই দৃঢ় সংকল্প করে রীনা নামক ডাইনি রাক্ষসী কে বধ করার । রীনা নামক সাইকো পাগল বউকে শাস্তি দেওয়ার, ওর পাপের ফল ভোগ করানোর স্বপ্ন সত্যি করার । প্রতিশোধ ই অশোকের বাঁচার মুল মন্ত্র হয়ে আছে। কিন্তু রীনার সামনে আসলেই ওর সব কিছু চুপসে যায় ভয়ে।
Parent