উৎপত্তি - অধ্যায় ৫০
উৎপত্তি -পর্ব ৪৩
আজকে আর ভালো লাগতেছে না। আকাশটা কেমন মেঘলা হয়ে আছে। মানুষের মন খারাপের দিন গুলা প্রকৃতি মানুষকে সঙ্গ দেয়। তা না হলে রাফির এমন মন খারাপের সময় আকাশ মেঘলা হলো কেনো? গ্যারেজের মাঝখানে ও বসে আছে। একটা ছোট কাপড়ের চেয়ারে বসে আছে। হেলান দিয়ে এমন ভাবে শুয়ে আছে মনে হচ্ছে ও ঘুমাচ্ছে। পাশেই বিশাল একটা নদীর বয়ে যাচ্ছে বা বিল বলা যায়। আকাশ আরও গভীর অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে। রাফি বসে আছে ঠিক যেমনটা বসে ছিলো তখনও। হাল্কা বৃষ্টির ফুটা ছড়িয়ে যাচ্ছে সমস্ত গ্যারেজ জোড়ে একটু একটু করে বাড়তেছে সেই বৃষ্টির ফোটাও। ধীরে ধীরে গ্রাস করে নিচ্ছে সমস্ত শহরটাকে। রাফি কি আসলে কাউকে ভালোবাসতে পারবে না? নিজের বলতে কিছু থাকবে না। নিজের একটা ছোট বোন আছে। যার দুদিন পর বিয়ে। আপনরা ধীরে ধীরে দূরর সরে যাচ্ছে। যে বন্ধুটিকে হত্যাকরলো ওরা ঐ বন্ধুটিকে ছাড়া রাফির একটা মুহুর্ত কাটতো না। কিন্তু হায় কি আফসোস এখনো ওদের প্রতিশোধ নিতে পারেনি।
চোখের সামনে রাফির একটা ফটো ধরে বসে আছে তানিয়া। দিন দিন কেমন যেনো উদ্ভট হয়ে যাচ্ছে। রাফির সাথে কাটানো দিন রাত্র গুলা ওকে কেমন একাকীত্বে নিয়ে যাচ্ছে। রাজেশ এতো করে সময় দিয়েও সে শূর্ণত্যা পূর্ণ করতে পারছে না। আবার রাফিও কখনো আসতেছে না। সেই যে কত মাস আগে শরীরটা ছুয়ে গেছে। কিছু তুপ্তি আছে যা সহজে পেয়ে গেলে আর ভুলা যায় না। রাফির ঘামের গন্ধ আর উম্মাদের মতো সেক্স সব কিছু যেন রাজেশের ভেতর নেই। আসলেই তো থাকে না। রাফি যা পারে অন্য পুরুষ এর থেকে বেশি পারবে বা কম কিন্তু ওর মতো পারবে না। এই তো বেলা দশটা হলো কি করবে এই বৃষ্টিতে তানিয়া? তাই নিজের মতো করেই সময় কাটাচ্ছে কিন্তু রাফি ছাড়া সেটা সম্ভাবনা। সব সময় একা হলেই রাফি এসে ঘিরে ধরে যেনো। ছেলেটার ভেতর একটা উম্মাধনা আছে। ফোনের স্কীন থেকে চোখ সরায় আর সামনে বসানো . ছেলেটার লাশটা দেখে। তার পর আফসোস করে বলে হায় কেনো রাফিকে এমন করে না বসিয়ে ছেড়ে দিলো?
বাহিরে বৃষ্টির শব্দ বেড়ে চলছে আর তখনই তানিয়ার চিৎকার বারতে থাকে। হয়তো সেটা চার দেয়ালের বাহিরে যাচ্ছে না কিন্তু রেকড হয়ে যাচ্ছে। একটা মেয়ে মৃত্য লাশের উপর উঠানামা করছে আর পাগলের মতো চিৎকার করে যাচ্ছে।এই চিৎকারের সাথে মিশে আছে এক বেদনা আর যৌণ সুখ।
রাফি চেয়ারে বসে বসে কি করবে ভাবতেই মনে পরে যায় ওর মায়ের কথা। আহ মা টা কত সুন্দর আর পবিত্র একটা নারী। এমন নারী কি রাফি কখনো পাবে? তখনই তানিয়া,মধুময়, অরুনামা আর ঐ বাসের মহিলাটির কথা মনে পরে যায়। এমন যদি ওর স্ত্রীও হয় তাহলে আর কি করে সংসার হবে? নারী কে কি আর বিশ্বাস করা যায়? অহল্যা আর মিরার কথা মনে পরে যায়। আহ...! এই নারীরা সব আছে তাও রাফির নিচে আসতে পাগল। রাফির আবার ঘুরান দিয়ে বাসের মহিলাটির কথা মনে পরে৷ আহ একবারে সেমন ওর মায়ের গন্ধ ছিলো। তখনইভাবে ঐ *র মতো মায়ের কোনে * আছে কিনা। তাহলে তো আর কোনো টেনশন নেই। তখনই আবার মনের ভেতর পাপ জন্ম নেয় কিন্তু যখনই রাজেশ আর ওর মায়ের বোনের কথা মনে পরে তখন যেনো ওর মায়ের মুখটা কামুকি ভাবে ভেসে উঠে। রাফি তখন নিজেকে আর আটকাতে পারে না। এই অরুভূতির উৎপত্তি কোথাই?এর এক মাত্র জন্মের কারণ রাজেশ আর অহল্যা। এই দুজন আর তানিয়াকে রাফি ছাড়ছে না কখনো। এই ভাবতে থাকে। ওর মায়ের জন্য এমন বিশ্রী কিছু কখনোইমনে হতো না। যদি এই তিনজন ওর জীবনে না আসতো। রাফি আর কিছু ভাবতে পারে না, মাথাটা আকাশের দিকে দিয়ে মাথাটা চেয়ারে হেলিয়ে দেয়। চোখের উপর বৃষ্টির ফোটা পরতে থাকে, কানের পাতার দারুন লাগে। এমন সময় গ্যারেজের দরজা খোলে যায়। রাফি বুঝে যায় পরিচিত কেউ এসেছে। এখানে কয়েকজন নারীর কাছে এই গ্যারেজের অটো সুইচ এর চাবি দেওয়া আছে। অরুনামা,নিরা,মধুময়, অহল্যা আরও কিছু। এর ভেতরই রেন্জরোভার কালো গাড়িটি ডুকতে দেখে রাফি বুঝতে পারে মিরা এসেছে। গাড়িটা ঠিক রাফির সামনে এনে থামায়। বৃষ্টির গতি কমে এসেছে। রোমান্টিক একটা বৃষ্টি হচ্ছে। মিরা গাড়ি থেকে রাফিকে দেখে রাফি সামনের গ্লাস দিয়ে দেখতে পায় একজন গডেস ওর সামনের গাড়িতে বসে আছে। চোখে মুখে এক চাহিদা যেনো এখনই কিছু একটা চাই। এই চাহিদার সাথে রাফির পরিচয় অনেক দিনের। বৃষ্টির মাত্রা একটা লিমিটে চলে আসছে দুজন দুজনকে দেখছে।
রাফি স্থির হয়ে আছে মিরা ও যেনো স্থির হয়ে আছে। দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে। যে নারী কখনো ভাবেইনি সেও কখনো পরকীয়া করবে। বাহিরে দারুন বৃষ্টি হচ্ছে মিরার কাছে সেটা যেনো বিষয় না। এখন ওর দরকার রাফির এই ছড়া বুকে নিজেকে লেপ্টে নেওয়া৷ গাড়ি থেকে নেমে আসে মিরা৷ এখনো ঐ লেগিংস গুলাই পড়ে আছে আর টাইট একটা স্পোর্ট ব্রা। এই গুলা আসলে মিরা এই জন্য পড়ছে যে ও জানে ওর জন্য সে থেকে বেষ্ট হলো এই লেগিংস গুলা। বিশাল থাই গুলা আরও দারুন ভাবে ফুটে থাকে এই গুলা পড়লে আর স্পোর্ট ব্রা টা পড়লে খোলা পিঠ আর গলাটা দারুন দেখায়।মাঝে মাঝে নিজেই নিজের প্রেমে পরে যায় মিরা। এই ধাই গুলা রাফির দাড়ায় লাল না হলে এদের অপমান হবে। মিরা দুই ফিতার সেন্ডেল গুলা পরেই বৃষ্টির পানিতে নেমে আসে। পায়ের