বিটারনেস ইজ সুইটার দ্যান হানি-১ (Bitterness is Sweeter than Honey) by Monirul - অধ্যায় ২৩

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-39269-post-3606118.html#pid3606118

Posted on Tue Aug 17 2021 by ddey333 (Profile)

Tags: None
359 words / 2 min read

Parent
পাপিয়ার বিয়ের রাতের ঘটনার পর পাপিয়া এতোটাই ভয় পেয়েছিল যে কিছুতেই শুভ’র কাছে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য ওকে শত চেষ্টা করেও ওর বাবা রাজী করাতে পারেনি। কিন্তু ২/৩ বছর পর যখন পাপিয়া আরো বড় হয় এবং বান্ধবী ও অন্যান্য ভাবে সেক্সের বিষয়টা জানতে পারে তখন শুভ’র কাছে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য রাজী হয়। সেই অনুযায়ী পাপিয়ার বাবা শুভ’র সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়। শুভ’র অফিস থেকে জানায়, সে আ্যাবসেন্ট, এর বেশি কিছু তারা জানে না। শুভ’র পরিবার থেকেও কিছু জানায় না, শুধু বলে ওরা জানে না, শুভ মিসিং। কিন্তু এতোকাল পরে মাসখানিক আগে শুভ স্বশরীরে ঢাকায় এসে হাজির। মিসিং সম্পর্কে জানায়, একটা ফলস কেসে অন্যান্য আসামীদের সাথে ওকেও গ্রেপ্তার করে অস্ট্রেলিয়া পুলিশ। তদন্তে যদিও ওর বিরূদ্ধে কোন প্রমান পাওয়া যায়নি, তবুও কেবল বাংলাদেশী বলে বিচারে ওর তিন বছরের বিনাশ্রম জেল হয়। জেল থেকে বেরিয়ে ও জানতে পারে যে পাপিয়ার বাবা ওর পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছিল। তাই ও আর দেরি না করে সোজা চলে আসে বাংলাদেশে, পাপিয়াকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। পাপিয়া প্রথমে যেতে রাজী হয়নি, আমার জন্য, কিন্তু পরে ওর বাবার সম্মানের কথা ভেবে ও শুভ’র সাথে অস্ট্রেলিয়া চলে গেছে। আমার জন্য একটা গিফট রেখে গেছে পাপিয়া। খামের মধ্যে চিঠির সাথে একটা ছোট্ট প্যাকেট ছিল, সেটা খুলে দেখি একটা আংটি, ডায়মন্ড বসানো। বুকের মধ্যে জমা সব ব্যাথা একসাথে দলা পাকিয়ে বের হতে চাইছিল। সহ্য করতে পারলাম না, দুই হাতে চোখ ঢেকে কেঁদে ফেললাম আমি। বৌদি সম্ভবত খুবই অবাক হয়েছিল আমাকে কাঁদতে দেখে। উঠে এসে আমার পাশে বসে আমাকে জড়িয়ে ধরেছিল আর বলছিল, “ছিঃ মনিদা, একটা মেয়ের জন্যে তুমি কাঁদছো? অথচ সে ঠিকই তোমাকে ফাঁকি দিয়ে সোনার হরিণের আকর্ষনে স্বামীর সাথে বিদেশে চলে গেছে। ওর বড়লোক, ওরা এমনই, ওদের মন নেই, ওর পাষাণ হৃদয়, নিজের স্বার্থে ভালবাসে আবার স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে ফেলে রেখে চলে যায়। বৌদি আমার মাথা টেনে নিজের কাঁধে রেখেছিল। আমি তবুও কাঁদছিলাম দেখে বৌদি আমার মাথার চুলে আঙুল বুলিয়ে আদর করতে করতে বললো, “মনি, তুমি না পুরুষ মানুষ, তোমার কি কান্না মানায়? সামান্য একটা মেয়ের জন্য এতো কাঁদছো তুমি? অথচ আমাকে দেখো, আমার এতো রূপ, যৌবন থাকা সত্ত্বেও আমার স্বামী আমার দিকে তাকিয়েও দেখে না। এই বড়লোকগুলো এমনই, কাঁদে না সোনা, ধৈর্য্য ধরো, একটা মেয়ে গেছে তো কি হয়েছে, তোমার মতো সুঠাম পুরুষের জন্য কি মেয়ের অভাব আছে নাকি?”
Parent