মা শুধু আমার - অধ্যায় ৫০
মা- হুম বুঝেছি, কিন্তু খাওয়াবে কি করে।
এরমধ্যে ভগ্নীপতির স্কূতির হর্ন শুনতে পেলাম।
মা- আমি দেখছি বলে দরজার কাছে গেল, জামাইকে দেখেই আসো বাবা আসো, তোমার কথা হচ্ছিল তোমার দাদার সাথে ওঁ বলল তুমি আসবে।
ভগ্নীপতি- ঘরে ঢুকে বলল মা জল দিন খেয়েই চলে এসেছি দাদা কই।
আমি- বেড়িয়ে এইত ভাই আসো আসো বস এখানে। যাক ভালো হয়েছে মা বলছিল এতদিন পরে এসেছিস তুই গিয়ে থাকবি, মায়ের মন তো যেতে দিতে চাইছিল না। তবে দুইদিন পরে যাবো কি বল, আর তোমার ছুটি হলে এসে থাকবে তোমরা।
মা- জল দিয়ে বলল হ্যা বাবা, এতদিন পরে এসেছে আমার কাছে কয়দিন থাকবেনা তাই হয়। আজকে তোমার অফিস ছূটি হয়ে গেল তাড়াতাড়ি।
ভগ্নীপতি- না মা মানে যে কাজের জন্য ট্রেনিং এ যাবো সে কাজ আমি জানি করে দেখানে আমাকে আজকের জন্য ছুটি দিয়ে দিল না হলে তো আসতে রাত ৮ টা হয়ে যায়। চারটের মধ্যে চলে এসেছি। আপনার মেয়ে বলল আপনি দাদা বের হবেন তাই তো স্কুটি নিয়ে এলাম, দাদার দেওয়া আমার তো তেমন লাগেনা, যা আপনার মেয়ে চালায়। মা তবে দাদা আমাকে দিয়ে আসুক তারপর আপনারা বের হবেন।
আমি- এসেছ একটুও বসবে না। শাশুড়ির হাতের জল খেয়ে চলে যাবে, ওমা মিষ্টি আছে না দাও ওকে।
ভগ্নীপতি- না দাদা মিষ্টি খাওয়া বারন, যদি সুগার এসে যায় তাই মিষ্টি খাচ্ছিনা। চলেন আপনি প্যান্ট পরে নিন।
আমি- হ্যা বস আমি আসছি বলে ছাদে গেলাম গিয়ে দেখি মা সব গুটিয়ে আনছে। মাকে বললাম জাঙ্গিয়া দাও তো পরে যাই।
মা- তোর এই জাঙ্গিয়া কেমন ওখাঙ্কার কেনা।
আমি- হুম ফুল জাঙ্গিয়া, এ পড়লে কুচকিতে লাগেনা। ফিট হয় ভালো।
মা- বেশ ভালো এরকম এখানে পাওয়া যায় নাকি।
আমি- হ্যা হ্যা কেন পাওয়া যাবেনা এগুলো ইন্ডিয়ান বুঝলে কেন বাবা কেনে না।
মা- ওর আর জাঙ্গিয়া পরা, পরেনা তো লুঙ্গি [পরে তোকে আনতে জাওয়ার সময় একটা হাফ জাঙ্গিয়া পড়েছিল না হলে পরেই না। ওই লুঙ্গি আর জামা।
আমি- মা তবে আমি যাই ওকে দিয়ে আমি চলে আসছি তুমি সুন্দর করে সাজুগুজু করে নাও দুজনে যাবো।
মা- হ্যা একটা দীর্ঘ নিস্বাস দিয়ে বলল যাবে স্বামী নিয়ে সেখানে ছেলের সাথে যাচ্ছি আমার কপাল।
আমি- কাছে গিয়ে বললাম স্বামীর ক্ষমতা নেই তো কি হয়েছে ছেলে তো সক্ষম হয়েছে, না না তুমি করেছ আমাকে সক্ষম, চিন্তা করনা তো মা। তোমার ছেলে আছে তো।
মা- হ্যা তাই, তুমি যাও তাড়াতাড়ি এস আমি রেডি হচ্ছি ভেতরে গিয়ে।
আমি- আচ্ছা বলে নিচে নেমে এসে প্যান্ট পরে ভগ্নীপতির সাথে বের হলাম ওদের বাড়ি যেতে ২০/২৫ মিনিট লাগল সোজা ঢুকে গেলাম বোনের বাড়ি। সত্যি বলতে কি বোনের ঘর দোর দেখে আমার একদম ভালো লাগল না। ১০/১২ একটা রুম সাথে একটা ছোট্ট রান্না ঘর বাথরুম আলাদা, কি করে আমার বোন থাকে এখানে।
ভগ্নীপতি- এই দাদাকে বসতে দাও, আমি একটু ঠান্ডা নিয়ে আসছি বসেন দাদা যাবো আর আসবো, ৫ মিনিট লাগবে। এই বলে সোজা বেড়িয়ে গেল।