মায়ের সাথে মাছ ধরা। - অধ্যায় ৪৫
মা- ওকে বলে কি হবে সেই কবে থেকে আমার কোন খেয়াল রাখেনা, আর কি করবে ওকে কে মানবে আমি আর মানি না। তুই যদি পারিস তবে আমি থাকবো না হলে আমি চলে যাবো অনেকদুরে সেখান থেকে কেউ ফেরেনা।
আমি- বাবা কিছু বল মাকে যে সামলানো যাচ্ছেনা আর।
বাবা- কি বলব তুই দেখ তোর মাকে আমার দাড়া আর কিছু হবেনা।
আমি- কেন পারবেনা না বিয়ে বাড়ি থেকে ফিরে পরের দিন মাকে কত খুশী লাগছিল, এখন আর সেই খুশী নেই কেন।
বাবা- আমি পারিনা কি করব, কামাই করতে পারি না শরীরে শক্তি নেই কি করে কি করব। বয়স ৫৬ আমার।
আমি- সেটা মাকে বুঝিয়ে বলতে হবে, পারতে হবে।
বাবা- আমি শেষ আমার দ্বারা কিছু হবে না রে। তুই তোর মাকে দেখ।
আমি- সে তো আমি করবই আমার মাকে আমি সুখি করব তুমি না পারলে।
বাবা- তাই কর তবে আমাকে ছেরে যাস না তোরা।
আমি- মনে থাকবে তো নাকি নেশার ঘোরে বলছ, কালকে আবার অন্য কিছু বলবে।
বাবা- না আমি বুঝি সব বুঝি তুই বড় হয়েছিস তুই সামাল দে তোর মাকে। আমি না করব না।আমার বাবা মারা গেছে অনেক ছোট বেলায় আমিও মাকে নিয়ে থেকেছি। তুইও তোর মাকে নিয়ে থাক।
আমি- মা খেতে দাও সবাইমিলে খাই।
মা- আয় বলে খেতে দিল।
আমরা খেতে খেতে বাবাকে বললাম বাবা তুমি ওইদিকে যাওয়া ছেরে দাও সব ঠিক হয়ে যাবে। সবাই মিলে মিশে থাকব। কাল থেকে আর যাবেনা কথা দাও। এক সপ্তাহ না গেলেই দেখবে পারবে। আমরা সবাই মিলে খুশী থাকব। তুমি আমি মা সবাই ভালো থাকবো। কি মা থাকবে তো।
মা- ও ভালো হলে আমার অসুবিধা কোথায়, তোদের বাপ ছেলেকে নিয়ে থাকব সেটাই আমি চাই।
তোরা বাপ ছেলে মিলে কাজ করলে আমার ভালই হবে। মেয়েটাকে এমন লোকের সাথে বিয়ে দিয়েছি শুধু টাকা আছে আর কি আছে আমার মেয়ে ওর জীবনটা ও নষ্ট করলাম। আমি চাইনি কিন্তু ও রাজি হয়েছে। মেয়েটা আমার মতন কাঁদবে বাকী জীবন। ওর জন্য কিছুই করতে পারব না। আমার যেমন পুরুষ বেধেছে ওর ও তাই, অক্ষম দুটোই।
আমি- মা ভেবনা সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি আছি তো, তোমাকে দিদিকে আমি দেখবো।
বাবা- তাই দেখ তুই ছাড়া কেউ পারবেনা। তুই যে ভাবে পারবি দ্যাখ।
আমি- বললেই হয় তারজন্য কাজ করতে হয়, তুমি সাথ না দিলে আমি পারব একা একা। ফিরিভাবে কাজ না করলে পারা যায়। মনে ভয় নিয়ে সব কাজ হয় না।
বাবা- আমি আছি তোর সাথে, চল আমার খাওয়া হয়ে গেছে এবার উঠি আমরা।
মা- তোরা যা আমি সব ধুয়ে আসছি।
বাবা- চল একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসি।
আমি বাবা হাটতে হাটতে রাস্তায় গেলাম আর বললাম বাবা আর খাবেনা কিন্তু, দিদিও আমাকে বলেছে তোমাকে বলতে।
বাবা- জানি বাবা কি করব কষ্ট আর কষ্ট, হয়ত একটা পাপ করেছি বলে আমার এই অবস্থা।
আমি- কেন বাবা তুমি আবার কি করলে।
বাবা- তোকে বলব।
আমি- বলনা বাবা এ কথা মা জানে।
বাবা- না কেউ জানেনা।
আমি- আমাকে বল বাবা। বলে দিলে কষ্ট লাঘব হয়।
বাবা- কি বলব, আমার বাবা মারা যায় আমার যখন বয়স ১৫ বাড়িতে শুধু আমি আর মা থাকতাম। এক বছর খুব খারাপ গেছে তারপর আমি আর মা মাছ ধরা শুরু করি, তারপর আমাদের একটু অবস্থা ফেরে। তখন মা খুব কষ্ট পেত আমার বয়স ১৬ বছর। বাবা নেই অনেকেই কুনজরে দেখত আমার মাকে।
একদিন আমি মাকে কাপড় পালটাতে দেখে আমার মাথা ঘুরে যায়। তারপর থেকে মায়ের সাথে ঘুমাতে লাগলাম। রাতে মা আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাতো, একদিন উত্তেজনা বসে মায়ের সাথে সঙ্গম করে ফেলি, মা বাঁধা দেয় নাই।
তারপর থেকে নিয়মিত আমি মায়ের সাথে সঙ্গম করেছি, মায়ের যখন শরীর খারাপ হল আমি কোনদিন বাদ দেইনি, তারপর মা আমাকে বিয়ে দিল আমার চাহিদা মিটতনা বলে, এবং ১ বছরের মাথায় মা মারা যায়। মায়ের মৃত্যু আমার সব কেরে নেয়। আর ১৬ বছর বয়স থেকে নিয়মিত করতাম দিনে তিন চার বার। সেই অপরাধে আজ আমার এই অবস্থা, আমার অতিরিক্ত যৌন ক্ষুধা মাকে দুর্বল করে দেয়।