নতুন জীবন - অধ্যায় ৯
কাশফুলের মত নির্মল কোমলতায় ভরা অপরুপ ছিলো আম্মুর দুটো হাত. শুধু দুটো হাতই নয় আম্মুর পা আর পায়ের পাতা দুটো না দেখলে বুঝতাম না কত সুন্দর হতে পারে।
আম্মু কতটা সুন্দর আর তার সৌন্দর্যের বিবরন আমি কেন কবি সাহিত্যিক গন লিখতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলবে।
সেখানে আমি তো.....
দুটো চোখ ছিলো বড় মায়াবী চমৎকার । চোখের তারা দুটি যেন হুতম পেচার। এই চোখের দিকে তাকালে মনে হতো চোখ নয় যেন দুটি শুকতারা। পলকে পলকে যে কাউকে করে দিতে পারে দিশেহারা। অনেকটা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম আম্মুর সুন্দর রুপে।
এতক্ষনে বুঝতে পারছি কিসের টানে মন বারবার বাড়ির দিকে ছুটে আসছিল। সকালে দেখা আম্মুর সৌন্দর্য আর মাছ বিক্রিতার কামুক চাহনি আমার ভিতরে এই অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
মায়ের প্রতি ছেলের কোন খারাপ দৃষ্টি ছিলো না। কোন ছেলেই মায়ের প্রতি খারাপ দৃষ্টি দেয় না। দিতেও পারেনা। আমিও কখনো দেয়নি। তবে আজ কেমন জানি একটা ভালোলাগা কাজ করছে আম্মুর দিকে চেয়ে থাকতে,
ভিতর থেকে কেউ একজন চুপেসারে বলে দিচ্ছে দেখ, তোর মা কত সুন্দর একজন রমণী। যে সৌন্দর্যের তারিফ করতে গাওয়া যায়।
' তুমি সুন্দর, তুমি সুন্দরী
তুমি সৌন্দর্যের ফুল নগরী '
আর মায়ের দিকে ছেলের তাকানো কোন পাপ নেই। আছে শুধু মা ছেলের স্নেহ ভালোবাসা। ভিতর থেকে বলা প্রাণীটাকে না চিনলে তার কথা ফেলতে পারেনি। মায়ের প্রতি আমার ভালোবাসা কিংবা সৌন্দর্যের দূর্বলতা যা-ই হোক না কেন তার টান আমাকে
নিয়ে চললো আম্মুর পেছন পেছন।